আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ডকুমেন্টস বৈধকরণের জন্য এপোস্টেল প্রক্রিয়া ও এর ব্যবহার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য।
এপোস্টেল হলো একটি আন্তর্জাতিক বৈধকরণ বা সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া। ১৯৬১ সালের হেগ কনভেনশনের (Hague Convention) নিয়ম অনুযায়ী কোনো দেশের সরকারি বা শিক্ষাগত দলিলপত্র (যেমন: সার্টিফিকেট, ট্রান্সক্রিপ্ট ইত্যাদি) অন্য কোনো সদস্য দেশে ব্যবহার করার জন্য অতিরিক্ত কোনো দূতাবাস বা এম্বাসি সত্যায়ন ছাড়াই আন্তর্জাতিকভাবে বৈধ করার বিশেষ সিল বা স্টিকারকে এপোস্টেল বলা হয়।
বিদেশে আমাদের দেশের বিভিন্ন কাগজপত্রের সত্যতা প্রমাণের জন্য এটি প্রধানত নিচের ক্ষেত্রগুলোতে ব্যবহৃত হয়:
এপোস্টেল হলো একটি আন্তর্জাতিক বৈধকরণ বা সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া। ১৯৬১ সালের হেগ কনভেনশনের নিয়ম অনুযায়ী কোনো দেশের সরকারি বা শিক্ষাগত দলিলপত্র অন্য কোনো সদস্য দেশে ব্যবহার করার জন্য অতিরিক্ত কোনো দূতাবাস বা এম্বাসি সত্যায়ন ছাড়াই আন্তর্জাতিকভাবে বৈধ করার বিশেষ সিল বা স্টিকারকে এপোস্টেল বলা হয়।
সাধারণত বিদেশে আমাদের দেশের বিভিন্ন কাগজপত্রের সত্যতা প্রমাণের জন্য এপোস্টেল করা বাধ্যতামূলক। এটি প্রধানত বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সময়, চাকরি বা কর্মসংস্থানের জন্য আবেদন করার সময়, ইমিগ্রেশন বা ভিসা প্রসেসিং (যেমন পিআর বা স্থায়ী বসবাস) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইনি ও পারিবারিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
১৯৬১ সালের হেগ এপোস্টেল কনভেনশন অনুযায়ী বর্তমানে সারা বিশ্বে ১২৯টি দেশ এপোস্টেল সিস্টেমের সদস্য বা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি সহ ইউরোপ ও আমেরিকার বেশিরভাগ দেশই এর সদস্য, যেখানে এই স্টিকারযুক্ত দলিল সরাসরি গ্রহণযোগ্য।